প্রথম ম্যাচে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ হাসমতউল্লাহ শাহিদীর ক্যাচ মিস করার পর ক্রিকইনফো তাদের কমেন্ট্রিতে লিখেছিল, ‘তবে কি মাহমুদউল্লাহ ম্যাচটাই হাত...
প্রথম ম্যাচে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ হাসমতউল্লাহ শাহিদীর ক্যাচ মিস করার পর ক্রিকইনফো তাদের কমেন্ট্রিতে লিখেছিল, ‘তবে কি মাহমুদউল্লাহ ম্যাচটাই হাত থেকে ফেলে দিল।’
ভাগ্য পাশে ছিল বলে বাংলাদেশ পরবর্তীতে ম্যাচে ফিরে এসে আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে জয় তুলে নেয় মাত্র ৭ রানে। দ্বিতীয় ম্যাচে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। এবার আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের জন্য আফগানদের প্রয়োজন ২০ বলে ১৩ রান। আফগানিস্তান ইনিংসের ৪৭তম ওভারের খেলা চলছে তখন। জিততে সফরকারীদের দরকার ২০ বলে ১৩ রান। হাতে ৩ উইকেট। মোসাদ্দেক হোসেনের করা ওভারের পঞ্চম বলে বেশ বেরিয়ে এলেন ব্যাটসম্যান নজিবউল্লাহ জাদরান। স্টাম্পিংয়ের খুব সহজ সুযোগ। কিন্তু বলটাই ধরতে পারলেন না বাংলাদেশের উইকেটকিপার মুশফিকুর রহিম।
তবে হারের পিছনে মুশফিককে কোনো দোষ দিচ্ছেন না মাশরাফি। মাশরাফি বিন মুর্তজা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘একটা ম্যাচের জন্য যদি মুশফিককে দোষ দেই তাহলে খুব কঠিন হয়ে যাবে। ওই স্ট্যাম্পিংয়ের কথা বলছেন। যদি ওটা হত তাহলে সুযোগ থাকত! এর থেকে ভালো ক্যাচ কঠিন পরিস্থিতিতে মুশফিক নিয়েছে। এক তরফা ওকে দোষ দেওয়া ঠিক হবে না। ওকে ব্লেম করে লাভ নেই।’
মাশরাফির ভাষায়, ‘ও সবার আগে এসে ব্যাটিং করে আবার কিপিং করে। সমানভাবে ও অনুশীলন করে। আমি কখনো দেখিনি যে কিপিংয়ে ওর মনযোগের ঘাটতি আছে। দূর্ভাগ্যবশত ও এবং আমরা যেটা আশা করিনি সেটা আজকে হয়েছে।’
তবে এই হতাশার মাঝেও অধিনায়কের কণ্ঠে কালই ওয়ানডে অভিষেক হওয়া মোসাদ্দেকের প্রশংসা, ‘ব্যাটিংয়ে তো ভালো করেছেই, বল হাতেও সে এদিন ছিল দুর্দান্ত।’
কিপিংয়ে মুশফিকের রেকর্ডও ঈর্ষনীয়। বাংলাদেশেল ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি ডিসমিসাল করেছেন মুশফিক। এর মধ্যে ১২৬টি ক্যাচ ও ৩৯টি স্ট্যাম্পিং করেছেন মুশফিক।